🏅

Bajiaf আমাদের সম্পর্কে — বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বেটিং প্ল্যাটফর্মের পরিচয়

bajiaf শুধু একটা বেটিং সাইট নয় — এটা বাংলাদেশের লক্ষো স্পোর্টসপ্রেমী মানুষের কথা ভেবে তৈরি একটা অভিজ্ঞতা, যেখানে নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা আর বিনোদন একসাথে পাওয়া যায়।

লাইসেন্সড ও নিয়ন্ত্রিত ৫ লাখ+ সদস্য ২০১৯ সাল থেকে বাংলায় সম্পূর্ণ সাপোর্ট
🎯
bajiaf
বাংলাদেশের নিজের প্ল্যাটফর্ম
৩০+
স্পোর্টস
৫০০+
গেম
২৪/৭
সাপোর্ট
৯৬%
পে-আউট
0
নিবন্ধিত সদস্য
0
বছরের অভিজ্ঞতা
0
স্পোর্টস ক্যাটাগরি
০
সাপোর্ট সময়

bajiaf-এর গল্প


২০১৯ সালে যখন bajiaf যাত্রা শুরু করে, তখন বাংলাদেশের অনলাইন বেটিং বাজারটা ছিল বিদেশি প্ল্যাটফর্মের দখলে। সেই প্ল্যাটফর্মগুলো বাংলায় কথা বলত না, বাংলাদেশি পেমেন্ট সিস্টেম ঠিকমতো সাপোর্ট করত না, আর কাস্টমার সার্ভিসে যোগাযোগ করা ছিল রীতিমতো ঝামেলার কাজ। এই শূন্যতাটা পূরণ করার লক্ষ্য নিয়েই একটি ছোট দল মিলে bajiaf তৈরি করে — শুধু বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে।

শুরুতে শুধু ক্রিকেট বেটিং ছিল। কারণটা সহজ — বাংলাদেশে ক্রিকেট মানে শুধু খেলা নয়, এটা একটা জাতীয় আবেগ। বাংলাদেশ যখন ভারতকে হারায় বা বিশ্বকাপে ভালো খেলে, গোটা দেশ একসাথে উচ্ছ্বসিত হয়। bajiaf সেই উচ্ছ্বাসকে একটু বেশি মাত্রা দিতে চেয়েছিল — ক্রিকেটকে শুধু দেখার অভিজ্ঞতা থেকে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতায় রূপান্তর করতে।

ধীরে ধীরে ফুটবল, টেনিস, বাস্কেটবল যোগ হলো। ক্যাসিনো গেম, লাইভ ডিলার, ফিশিং গেম — একের পর এক সংযোজন হতে থাকল। কিন্তু মূল দর্শনটা পাল্টায়নি: বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের পেমেন্ট সিস্টেমে, বাংলা ভাষায়।

bajiaf-এর বৃদ্ধি হয়েছে মূলত মুখে মুখে। কেউ একজন ভালো অভিজ্ঞতা পেয়ে বন্ধুকে বলেছেন, সেই বন্ধু আরেকজনকে — এইভাবে পরিবার বড় হয়েছে। আজ পাঁচ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন, ঢাকা থেকে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম থেকে সিলেট, রাজশাহী থেকে রংপুর — দেশের প্রতিটি কোণে bajiaf-এর পরিচিতি আছে।

প্রযুক্তির দিক থেকে bajiaf সবসময় আপডেট থেকেছে। ২০২২ সালে মোবাইল অ্যাপ লঞ্চ হওয়ার পর ব্যবহার বেড়েছে কয়েকগুণ — কারণ বাংলাদেশে বেশিরভাগ মানুষ মোবাইলেই ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। ২০২৩ সালে লাইভ স্ট্রিমিং ফিচার যোগ হয়েছে, ২০২৬ সালে বায়োমেট্রিক লগইন এসেছে। প্রতিটি আপডেটের পেছনে থাকে ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক — কী দরকার, কী অসুবিধা হচ্ছে, কী আরো ভালো হলে ভালো হতো।

নিরাপত্তা নিয়ে bajiaf কখনো আপোস করেনি। প্রতিটি লেনদেন SSL এনক্রিপ্টেড, প্রতিটি অ্যাকাউন্ট দুই ধাপে যাচাইযোগ্য, প্রতিটি গেমের ফলাফল RNG (Random Number Generator) দিয়ে নিশ্চিত করা হয়। তৃতীয় পক্ষের অডিট ফার্ম নিয়মিত পুরো সিস্টেম যাচাই করে — শুধু আমরা বলছি বলেই নিরাপদ নয়, বাইরের প্রতিষ্ঠান নিশ্চিত করেছে বলেই নিরাপদ।

দায়িত্বশীল গেমিং bajiaf-এর একটা মূল অঙ্গীকার। যারা বেটিংকে বিনোদন হিসেবে দেখেন এবং বাজেট মেনে খেলেন, তাদের জন্য bajiaf একটা দারুণ প্ল্যাটফর্ম। কিন্তু যারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারছেন না, তাদের জন্য আমরা স্ব-বর্জন (self-exclusion), সীমা নির্ধারণ (deposit limits) এবং কুলিং-অফ পিরিয়ডের সুবিধা দিই। কারণ একজন সুখী ও সুস্থ প্লেয়ার দীর্ঘমেয়াদে আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ।

আগামীর দিকে তাকালে bajiaf-এর পরিকল্পনায় আছে আরো বেশি দেশীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্টের কভারেজ, আরো নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি যোগ করা, এবং VIP প্রোগ্রামকে আরো অর্থবহ করে তোলা। বাংলাদেশের বেটিং কমিউনিটি যেভাবে বাড়ছে, bajiaf সেই বৃদ্ধির সাথে পা মিলিয়ে চলতে চায় — সবসময় কমিউনিটির কথা মাথায় রেখে।

আমরা কীসে আলাদা?

bajiaf বেছে নেওয়ার ৬টি কারণ


সম্পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেস

মেনু, বেট স্লিপ, পেমেন্ট ফর্ম, কাস্টমার সাপোর্ট — সবকিছু বাংলায়। ইংরেজি না জানলেও bajiaf ব্যবহার করতে কোনো অসুবিধা নেই।

বাংলাদেশ-ফার্স্ট
bKash · Nagad · Rocket

দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সরাসরি সমর্থন করে। কয়েক সেকেন্ডে ডিপোজিট, আধা ঘণ্টায় উইথড্রয়াল।

তাৎক্ষণিক পেমেন্ট
SSL এনক্রিপশন ও KYC

আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রতিটি ডেটা ট্রান্সফার এনক্রিপ্টেড, প্রতিটি অ্যাকাউন্ট পরিচয় যাচাইকৃত।

নিরাপদ
২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট

দিনে বা রাতে, যেকোনো সমস্যায় বাংলায় কথা বলা যায়। লাইভ চ্যাট, ইমেইল — দুটো মাধ্যমেই সাড়া পাওয়া যায়।

সবসময় পাশে
ফেয়ার অডস ও উচ্চ পে-আউট

গড় পে-আউট রেট ৯৬% — শিল্পের গড়ের চেয়ে বেশি। বুকমেকার মার্জিন মাত্র ৪–৫%, তাই প্রতিটি জয়ে বেশি পাওয়া যায়।

৯৬% পে-আউট
দায়িত্বশীল গেমিং প্রতিশ্রুতি

ডিপোজিট লিমিট, স্ব-বর্জন, কুলিং-অফ — ব্যবহারকারীদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করার সব ব্যবস্থা আছে।

দায়িত্বশীল

আমাদের মূল্যবোধ

bajiaf পরিচালনার পেছনে যে নীতিগুলো সবসময় কাজ করে

স্বচ্ছতা (Transparency)

অডস কীভাবে নির্ধারণ হয়, ফি কী আছে, শর্ত কী — সব কিছু স্পষ্টভাবে বলা হয়। লুকানো চার্জ বা বিভ্রান্তিকর শর্ত আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

সম্প্রদায় (Community)

bajiaf শুধু একটা ব্যবসা নয় — এটা একটা কমিউনিটি। প্লেয়ারদের মতামত শুনে পণ্য উন্নত করা আমাদের কাজের অংশ।

নিরাপত্তা (Security)

ব্যবহারকারীর অর্থ ও তথ্যের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কোনো আপোস নেই — সিস্টেম ডিজাইনের প্রথম দিন থেকেই এটা নিশ্চিত করা হয়েছে।

উদ্ভাবন (Innovation)

প্রযুক্তি দ্রুত বদলায়। bajiaf সেই পরিবর্তনের সাথে চলে — নতুন ফিচার, নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি, নতুন গেম নিয়মিত যোগ হয়।

আমাদের দক্ষতার মাপকাঠি

আমরা কোথায় আছি — সংখ্যায়

ব্যবহারকারীর সন্তুষ্টি৯২%
পেমেন্ট সাফল্যের হার৯৯.৩%
সাপোর্ট প্রথম প্রতিক্রিয়া (৫ মিনিটের মধ্যে)৮৭%
উইথড্রয়াল ৪ ঘণ্টার মধ্যে৯৪%
প্ল্যাটফর্ম আপটাইম৯৯.৯%
এই পরিসংখ্যান ২০২৬ সালের বার্ষিক ব্যবহারকারী জরিপ ও সিস্টেম লগের ভিত্তিতে তৈরি।

bajiaf-এর যাত্রা

২০১৯ থেকে এখন পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক


২০১৯
যাত্রা শুরু — ক্রিকেট বেটিং

bajiaf প্রথম লঞ্চ হয় শুধু ক্রিকেট মার্কেট নিয়ে। বাংলাদেশি পেমেন্ট সিস্টেম সংযুক্ত করা আর সম্পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেস — এই দুটো বিষয় শুরু থেকেই ছিল।

২০২০
স্পোর্টস বিভাগ বিস্তার

ফুটবল, টেনিস ও বাস্কেটবল যোগ হলো। ইউরোপিয়ান লিগ ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের কভারেজ শুরু। সদস্য সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে গেল।

২০২১
লাইভ ক্যাসিনো ও গেম লাইব্রেরি

লাইভ ডিলার ক্যাসিনো, স্লট গেম ও ফিশিং গেম একসাথে লঞ্চ হলো। ৫০০+ গেমের লাইব্রেরি তৈরি হলো। সদস্য সংখ্যা ১ লাখ পেরোল।

২০২২
মোবাইল অ্যাপ লঞ্চ

Android APK ও iOS PWA একসাথে রিলিজ হলো। মোবাইল ব্যবহারকারীর হার ৬০% থেকে বেড়ে ৮৫%-এ পৌঁছাল মাত্র ছয় মাসে।

২০২৩
লাইভ স্ট্রিমিং ও VIP প্রোগ্রাম

নির্বাচিত ম্যাচে লাইভ স্ট্রিমিং শুরু হলো। VIP প্রোগ্রাম নতুন আকারে এলো — ৫ স্তরের লয়্যালটি পয়েন্ট সিস্টেম। সদস্য সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়াল।

২০২৬–২৫
বায়োমেট্রিক লগইন ও ই-স্পোর্টস

ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও Face ID লগইন চালু। ই-স্পোর্টস বেটিং বিভাগ খোলা হলো। সদস্য সংখ্যা ৫ লাখ পেরিয়ে এখনো বাড়ছে।

আমাদের দল

bajiaf-এর পেছনে যারা কাজ করেন


র
রিয়াদ হাসান
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

অনলাইন গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের বাজার নিয়ে গভীর জ্ঞান রাখেন।

ন
নাফিসা আহমেদ
প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা

সাইবার সিকিউরিটি ও ফিনটেক বিশেষজ্ঞ। bajiaf-এর নিরাপত্তা স্থাপত্যের মূল নির্মাতা।

স
সাজিদ করিম
স্পোর্টস কন্টেন্ট প্রধান

বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক পরিসংখ্যানবিদ। ক্রিকেট বেটিং মার্কেট ডিজাইনে বিশেষজ্ঞ।

ফ
ফাতেমা সুলতানা
গ্রাহক অভিজ্ঞতা প্রধান

২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট দলের নেতৃত্ব দেন। গ্রাহক সন্তুষ্টি ৯২%-এ নিয়ে যাওয়ার কারিগর।

আমরা যখন bajiaf শুরু করি, অনেকে বলেছিল বাংলাদেশে এই ধরনের প্ল্যাটফর্ম টিকবে না। আজ পাঁচ বছর পরে দেখা যাচ্ছে, আসলে দরকার ছিল শুধু একটা প্ল্যাটফর্ম যেটা সত্যিকার অর্থে এই দেশের মানুষের কথা ভেবে তৈরি।

র
রিয়াদ হাসান
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, bajiaf

লাইসেন্স ও নিয়ন্ত্রণ

bajiaf আন্তর্জাতিক মান মেনে চলে

আন্তর্জাতিক গেমিং লাইসেন্স

স্বীকৃত নিয়ন্ত্রক সংস্থার অধীনে লাইসেন্সপ্রাপ্ত — প্রতি দুই বছরে পুনর্নবীকরণ করা হয়।

তৃতীয় পক্ষের নিরাপত্তা অডিট

eCOGRA-অনুমোদিত অডিট ফার্ম বার্ষিকভাবে পুরো সিস্টেম যাচাই করে — RNG ফেয়ারনেস সার্টিফাইড।

SSL/TLS 256-bit এনক্রিপশন

সব ডেটা ট্রান্সফার সামরিক মানের এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত — ব্যাংকের সমতুল্য নিরাপত্তা।

দায়িত্বশীল গেমিং সদস্যপদ

GamCare ও BeGambleAware-এর নির্দেশিকা অনুসরণ করে দায়িত্বশীল গেমিং নীতি পরিচালিত হয়।

পেমেন্ট সুবিধা

বাংলাদেশের সব জনপ্রিয় পেমেন্ট পদ্ধতি সমর্থিত

📱
bKash
তাৎক্ষণিক
💳
Nagad
তাৎক্ষণিক
🚀
Rocket
তাৎক্ষণিক
🏦
ব্যাংক ট্রান্সফার
১–৩ কার্যদিবস
কোনো লুকানো চার্জ নেই। ডিপোজিট বা উইথড্রয়াল — দুটোতেই কোনো প্রসেসিং ফি নেওয়া হয় না। সর্বনিম্ন ডিপোজিট মাত্র ৳১০০।

সাধারণ প্রশ্ন

নীতি ও বেটিং বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উত্তর


না — bajiaf-এর নীতি অনুযায়ী একজন ব্যক্তি কেবলমাত্র একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দিয়ে দুটো অ্যাকাউন্ট তৈরি করার চেষ্টা করলে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করবে এবং নতুন অ্যাকাউন্টটি ব্লক হয়ে যাবে। যদি কোনো কারণে মনে হয় আপনার অ্যাকাউন্টে সমস্যা হয়েছে বা ভুলবশত দুটো তৈরি হয়েছে, তাহলে সাহায্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন — সৎভাবে জানালে সহজেই সমাধান হয়। দুটো অ্যাকাউন্ট রেখে বোনাস একাধিকবার নেওয়ার চেষ্টা করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ — এটা ধরা পড়লে উভয় অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ হতে পারে এবং ব্যালেন্স বাজেয়াপ্ত হতে পারে। এই নিয়ম সবার জন্য সমান — এর কোনো ব্যতিক্রম নেই।

ম্যাচ বাতিল বা পরিত্যক্ত হলে bajiaf-এর সাধারণ নিয়ম হলো প্রি-ম্যাচ বেটের সম্পূর্ণ পরিমাণ ফেরত দেওয়া হয়। তবে খেলার ধরন ও সময়ের উপর নির্ভর করে কিছু ক্ষেত্রে ভিন্ন নিয়ম প্রযোজ্য। ক্রিকেটে: নির্দিষ্ট ওভার সম্পন্ন হলে (ODI-তে ন্যূনতম ২০ ওভার, T20-তে ন্যূনতম ৫ ওভার) রেইন রুল বা DLS পদ্ধতিতে ফলাফল নির্ধারণ করা হয় এবং বেট সেই অনুযায়ী নিষ্পত্তি হয়। প্রয়োজনীয় ওভার শেষ না হলে বেট ফেরত পাওয়া যায়। ফুটবলে: হাফটাইমের পর ম্যাচ বন্ধ হলে সাধারণত ফলাফল অনির্ধারিত ধরা হয় এবং বেট ফেরত দেওয়া হয়। তবে কিছু নির্দিষ্ট মার্কেট (যেমন প্রথম হাফের রেজাল্ট) আলাদাভাবে নিষ্পত্তি হতে পারে। লাইভ বেটের ক্ষেত্রে — বাতিলের সময় পর্যন্ত যে ফলাফল ছিল, সেটার ভিত্তিতে কিছু মার্কেট নিষ্পত্তি হতে পারে। সুনির্দিষ্ট নিয়মগুলো নিয়ম ও শর্তাবলী পেজে বিস্তারিত আছে।
bajiaf-এর অংশ হতে প্রস্তুত?

পাঁচ লাখেরও বেশি প্লেয়ার ইতোমধ্যে bajiaf বেছে নিয়েছেন। আপনার যাত্রা শুরু হোক আজই — নিবন্ধন বিনামূল্যে, পুরো প্রক্রিয়া পাঁচ মিনিটের মধ্যে।

শুধু ১৮+ বয়সীদের জন্য। দায়িত্বশীলভাবে খেলুন।

English